
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে নিরাপত্তা চাদরে মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোর থেকেই বিমানবন্দরের দুই প্রধান গেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। যাত্রী ছাড়া অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। সন্দেহভাজন হলেই তাকে তল্লাশির আওতায় আনা হচ্ছে।
সেনাবাহিনী, এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও র্যাবের সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
সরেজমিন বিমানবন্দরের বিভিন্ন গেট ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ, ডিএমপির পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। গেটের সামনে কোনও সাধারণ লোককে থাকতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধুমাত্র যাত্রী ছাড়া আর কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের পুলিশ সুপার রেজাউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সকাল থেকেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা কাজ করে যাচ্ছেন। এপিবিএনের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ক্রাইসিস রেসপন্স টিম (সিআরটি) টহল দিচ্ছে।
তিনি বলেন, নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কোনও কর্মকাণ্ড এখানে করতে দেওয়া হবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এপিবিএন, ডিএমপি ও সেনাবাহিনী সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছে।
এদিকে বিমানবন্দরের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরের বাইরে যেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তেমনি ভেতরেও নেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের ভেতরে এভসেক ও বিমানবাহিনী দায়িত্ব পালন করছে।
অন্যদিকে, বিমানবন্দরের আশপাশের মূল সড়কগুলোতে বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতাকর্মীর উপস্থিতি দেখা গেছে। তাদের হাতে নানা ধরনের ব্যানার ও ফেস্টুন লক্ষ্য করা যায়।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি-২০২ যোগে তিনি আসছেন। ফ্লাইটটি সিলেট হয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুপুর ১২টার দিকে অবতরণের কথা রয়েছে।
আইএ/সকালবেলা