
নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বাছাইয়ে বাদ পড়া প্রার্থীদের জন্য এখনো আশা শেষ হয়ে যায়নি। প্রাথমিক বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল হলেও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। আপিল করা যাবে আগামী ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) আপিল প্রক্রিয়ায় প্রার্থীদের করণীয় সম্পর্কে ৭টি নির্দেশনা দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
আপিলের সময়সীমা: ইসি জানিয়েছে, সংক্ষুব্ধ প্রার্থীরা আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
মানতে হবে যে ৭ নির্দেশনা: আপিল করার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের নিচের ৭টি নির্দেশনা আবশ্যিকভাবে মেনে চলতে হবে:
১. আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরম্যাটে) দায়ের করতে হবে। ২. আপিল দায়েরের সময় মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে। ৩. আপিল আবেদনের একটি মূল কপিসহ সর্বমোট সাতটি কপি দাখিল করতে হবে। ৪. আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে স্ব স্ব অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে। ৫. নির্ধারিত সময়সীমার (৫ থেকে ৯ জানুয়ারি) মধ্যেই আপিল দায়ের করতে হবে। ৬. আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। এই ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে। ৭. আপিল দায়েরকারী অথবা তার পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে যারা সংক্ষুব্ধ হয়েছেন, তারা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এম.এম/সকালবেলা