Deleted
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

আলোর মুখ দেখছে না প্রধান উপদেষ্টার ‘মার্চিং অর্ডার’ বাস্তবায়নের নির্দেশ

আলোর মুখ দেখছে না প্রধান উপদেষ্টার ‘মার্চিং অর্ডার’ বাস্তবায়নের নির্দেশ

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মাথায় ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সব পর্যায়ে সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ‘মার্চিং অর্ডার’ বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী গঠিত হয়েছিল বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংস্কার কমিশন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিটি কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেয়।

তবে নানা জটিলতায় এসব কমিশনের সুপারিশ শতভাগ বাস্তবায়ন করা যায়নি। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের সম্ভাবনাও নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী নতুন সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে বিদায় নেবে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরবর্তী সরকার এসব কমিশনের সুপারিশ আদৌ আমলে নেবে কিনা, তা নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

সরকার ও সরকারের বাইরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজনৈতিক দলগুলোর অনীহা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এবং সংস্কার কমিশনের কিছু সুপারিশ বাস্তবসম্মত না হওয়ায় মূলত এগুলো বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘোষিত ‘মার্চিং অর্ডার’-এর মূল লক্ষ্যে বলা হয়েছিল—জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার বৈষম্যহীন মানবিক দেশ গড়ার প্রত্যয় এবং ভয়হীন চেতনার ওপর দাঁড়িয়ে বিবেক ও ন্যায়বোধে উজ্জীবিত হয়ে সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সংস্কার কর্মসূচি প্রণয়নে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামত গ্রহণ করতে হবে। দুর্নীতির মূলোৎপাটন করে সেবা সহজীকরণের মাধ্যমে জনগণের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে। সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বব্যাপী তৈরি হওয়া আগ্রহ ও ইতিবাচক ধারণাকে দেশের স্বার্থে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাতে হবে।

সূত্র জানায়, এ লক্ষ্যেই গঠন করা হয়েছিল ১১টি সংস্কার কমিশন। এগুলো হলো—জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, পুলিশ সংস্কার কমিশন, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন, সংবিধান সংস্কার কমিশন, শ্রমখাত সংস্কার কমিশন, নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন এবং স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন। এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়নের জন্য গঠিত হয়েছিল ঐকমত্য কমিশন।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকার ৫ আসনে বাতিল হলো ১২ প্রার্থীর মনোনয়ন

1

রাজধানীতে এবার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা

2

আপনারা পাশে দাঁড়াবেন, তা সত্যিই কল্পনার বাইরে ছিল: তাসনিম জ

3

খালেদা জিয়াকে আল্লাহ জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন: জামা

4

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের সংবাদ

5

পাঠ্যবই ঠিক সময়ে বিতরণ, মুদ্রণ সংকট নিরসনে নড়েচড়ে বসেছে সরকা

6

সাতক্ষীরায় সরকারি ভিপি সম্পত্তি নিয়ে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ

7

গণভোটে ‌‘হ্যাঁ’ ভোট যেসব বিষয়ে সমর্থন করবে

8

আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে এক হাসনাতই যথেষ্ট: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ার

9

প্লট জালিয়াতির মামলায় হাসিনাকন্যা পুতুলের ৫ বছরের কারাদণ্ড

10

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫২.৫৭ শতাংশ, মেয়েরা এগিয়ে

11

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

12

জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা ‘জুলাই

13

মেহেরপুরে ইটভাটায় অভিযানে এক লক্ষ টাকা জরিমানা

14

আনিস আলমগীরের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন

15

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামীর পাশে খালেদা জিয়ার দাফন হবে, নিষিদ

16

৯ মাসে ৮৩ কোটি টাকা খরচ করে কেন পালালেন আলী রীয়াজ? মোশাররফ

17

ভূমিকম্প নিয়ে আবারও ভুল সংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

18

তেলবাজির রাজনীতির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

19

হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাহদী হাসানের জামিন মঞ

20
সর্বশেষ সব খবর