Deleted
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১২:৫৬ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া চলছে

মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া চলছে

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে রায় পড়া শুরু হয়েছে। 
 
সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করছেন।

ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
 
রায় ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করছে বিটিভি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এছাড়া ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজ থেকেও সরাসরি দেখানো হচ্ছে। পাশাপাশি ঢাকার দশটি পয়েন্টে দেখা যাচ্ছে বড় পর্দায়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রথম মামলা হয় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে। 
 
পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ শুরু হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর। সেদিনই এ মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনও আসামি। তাদের মধ্যে মামুন দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।
 
তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে রয়েছে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা ও আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো। 

এ মামলায় ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ আগস্ট। প্রথম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্টের বীভৎসতার চিত্র তুলে ধরেন খোকন চন্দ্র বর্মণ। গত ৮ অক্টোবর মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীরের জেরার মাধ্যমে শেষ হয় সাক্ষ্যগ্রহণের ধাপ। 
এরপর গত ২৩ অক্টোবর প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণের জন্য ১৩ নভেম্বর দিন রাখা হয়। এদিন রায় ঘোষণার জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করা হয়।

এদিকে, শেখ হাসিনার রায় ঘোণাকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা যাতে নাশকতা চালাতে না পারে সেজন্য সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

নাশকতা প্রতিরোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে রোববার থেকেই ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশমুখে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, যারা মানুষ ও পুলিশ সদস্যদে ওপর ককটেল হামলা ও যানবাহনে আগুন দেবেন, আইনসম্মতভাবেই তাদের ওপর গুলির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নির্বাচনে ৩০০ বিচারক চাইলেন সিইসি, কাল বা পরশু তফসিল

1

অভ‍্যন্তরীণ ইস্যুতে কোনো দেশের হস্তক্ষেপ চায় না বাংলাদেশ: খ

2

হাসিনাসহ রেহানা পরিবারের তিন মামলায় আরও ১১ জনের সাক্ষ্য

3

৭৮৫০০ বাংলাদেশি হজ করতে পারবেন ২০২৬ সালে

4

নাইজেরিয়ায় মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত কমপক্ষে ৭

5

হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি দিল ঢাকা

6

‘৩০ লাখ মুসলিমকে হত্যা করেছে আমেরিকা-ইসরাইল’

7

গুলিবিদ্ধ হাদীকে ঢামেকে ভর্তি ,অবস্থা আশঙ্কাজনক

8

রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের ব

9

ব্ল্যাকে মুগ্ধতা ছড়ালেন অভিনেত্রী সুনেরাহ

10

হঠাৎ সৃজিত-মিথিলার ঘুরতে যাওয়ার ছবি ভাইরাল

11

খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে পাকিস্তান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের শোক

12

দুই গণমাধ্যমে হামলার ঘটনায় আরও ১১ জন গ্রেফতার

13

অন্তর্বর্তী সরকার এমন পরিস্থিতি তৈরি করছে, যাতে নির্বাচন ব্য

14

ইয়েমেনে সামরিক হামলা করবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট

15

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, ভোগান্তিতে জনজীবন

16

প্রকৃতির কোলে দার্জিলিং: যে ৭টি জিনিস মিস করা যাবে না

17

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হস্তক্ষেপে সহিংস হয়েছে জনগণের শান্তিপ

18

প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা দেয়া হয়েছে, চূড়ান্ত তালিকা নয়: ফখরু

19

টাঙ্গাইল-৫: টুকুর মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল

20
সর্বশেষ সব খবর