Deleted
প্রকাশ : রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সরকারের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল

সরকারের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে বাড়তি দরেই বিক্রি হচ্ছে সয়াবিন তেল

বাণিজ্য উপদেষ্টার হুঁশিয়ারি কোনো কাজে আসেনি ভোজ্যতেলের বাজারে। পরিশোধন ও বাজারজাতকারী কোম্পানিগুলো নিজেদের বাড়ানো দরে তেল বিক্রি করছে। তারা সরকারকে এক প্রকার বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক সপ্তাহ ধরে বেশি দামে সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে বাজারে। ফলে ভোক্তাদের বাড়তি দামেই কিনতে হচ্ছে রান্নার তেল।

কোনো ঘোষণা ছাড়াই বাড়তি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে– গত বুধবার এমন সংবাদ প্রকাশের পর ওই দিন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছিলেন, সরকারকে না জানিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এভাবে ব্যবসায়ীদের দাম বাড়ানোর আইনগত ভিত্তি নেই। এ বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা নেবে। 

এরপর বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, লিটারে ৯ টাকা থেকে কমিয়ে দাম নির্ধারণ করতে হবে। বাড়তি দাম কতটা কমবে, সেটি আজ রোববারের বৈঠকে চূড়ান্ত হতে পারে। 

তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করছে না কোম্পানিগুলো। তারা বাড়তি দরের তেল সরবরাহ করে যাচ্ছে। এতে ক্রেতার পকেট থেকে লিটারে অতিরিক্ত ৯ টাকা চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের কাছে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর কয়েকটি পাইকারি ও খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রূপচাঁদা, তীর, পুষ্টি, ফ্রেশসহ প্রায় সব ব্র্যান্ডের বোতলজাত সয়াবিন তেল বাড়তি নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে বাজারে আসা পাঁচ লিটারের বোতল বিক্রি হচ্ছে ৯৬৫ টাকা দরে। 

এ ছাড়া বোতলজাত প্রতি লিটার ১৯৮ টাকা ও দুই লিটারের দর ৩৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে বোতলজাত প্রতি লিটার ১৮৯ টাকা ও পাঁচ লিটারের বোতল ৯২২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল। তবে বাজারে নতুন করে আসা স্টারশিপ ব্র্যান্ডসহ দু-একটি কোম্পানির পুরোনো কম দরের তেলও বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সপ্তাহের ব্যবধানে খোলা ভোজ্যতেলের দামও বেড়েছে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৭০ থেকে ১৭২ এবং পাম অয়েল ১৫২ থেকে ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও এ দুই ধরনের তেল বিক্রি হওয়ার কথা ছিল যথাক্রমে ১৬৯ ও ১৫০ টাকা দরে।

কারওয়ান বাজারের তুহিন জেনারেল স্টোরের স্বত্বাধিকারী মো. রায়হান বলেন, তেলের সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। সব কোম্পানির ডিলার তেল দিচ্ছে। তবে সবাই বাড়তি দরের তেলই দিচ্ছে।

বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে, তাই স্থানীয় বাজারে বাড়াতে হবে– এমন দাবি জানিয়ে গত ১০ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছিল ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। 

তাদের দাবি, সরকারকে অবহিত করেই আইন অনুযায়ী স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখনও দাম বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। যদিও কোম্পানিগুলোর যুক্তি, অনুমতি না দিলেও আইন অনুযায়ী দাম বাড়ানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দল থেকে বহিষ্কৃত জামায়াত নেতা

1

অবশেষে প্রাণঘাতী সংঘাতের অবসান, যুদ্ধবিরতিতে থাইল্যান্ড-কম্ব

2

মসজিদ ভেঙে মন্দির নির্মাণ, ভারত নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করল পাকিস

3

গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েল কি খরচ বহন করবে, জানতে চেয়ে চাকরি হার

4

সাভারে পার্কিং করা বাসে আগুন

5

শীত ও শৈত্যপ্রবাহ কবে থেকে শুরু

6

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান-শফিকুর রহমা

7

ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোর ওপর ট্রাম্পের ‘শুল্ক আক্রম

8

প্রথা ভেঙে বিএনপির নমিনেশন পেলেন দুই ভাই

9

এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

10

চাঁদাবাজ নয়, সৎ প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে দুর্নীতি কমবে: দুদক

11

ভারত না চাইলে আমরা শেখ হাসিনাকে থামাতে পারবো না: পররাষ্ট্র উ

12

বৈধ-অবৈধ সব প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে: ইসি সচিব

13

ধর্ষণ মামলায় বগুড়ায় নারী ব্যবসায়ীর দালাল গ্রেপ্তার

14

অবৈধ বিজ্ঞাপনে মেটার বার্ষিক আয় প্রায় ১০ শতাংশ

15

বৃদ্ধি হলো সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে নিয়োগে বয়সসীমা

16

বাকেরগঞ্জে এফসিএ মাহমুদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্

17

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনায় অগ্রগতি

18

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় লতিফ সিদ্দিকীকে জামিন দিয়েছেন হা

19

প্রধান বিচারপতির কাছে ৩০০ বিচারক চেয়েছেন সিইসি

20
সর্বশেষ সব খবর