Deleted
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

রাজধানীতে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: মামলার এজাহার থেকে যা জানা গেল

রাজধানীতে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা: মামলার এজাহার থেকে যা জানা গেল

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বাসায় ঢুকে মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে আসামি করে গতকাল সোমবার রাতে এ মামলা করা হয়। তবে হত্যায় জড়িত কাউকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি। 

ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছেন। স্ত্রী-কন্যাকে হত্যার জন্য তিনি গৃহকর্মীকে সন্দেহ করেছেন। মেয়েটি নিজের নাম বলেছিল আয়েশা। তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে কাজ চলছে।  

মামলার এজাহারে আজিজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘আমি শাহজাহান রোডের একটি বাসায় থাকি। চারদিন পূর্বে আসামি (আয়েশা) আমার বাসায় খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন। সোমবার সকাল আনুমানিক ৭টার সময় আমি আমার কর্মস্থল উত্তরায় চলে যাই। আমি আমার কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা অবস্থায় আমার স্ত্রীর মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। পরবর্তীতে আমি বেলা ১১টার সময় বাসায় এসে দেখতে পাই, আমার স্ত্রীর গলাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটা রক্তাক্ত জখম হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে এবং আমার মেয়ের গলার ডান দিকে কাটা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় মেইন গেটের দিকে পড়ে আছে। মেয়েকে উদ্ধার করে পরিছন্নকর্মী মো. আশিকের মাধ্যমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।’

এজাহারে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার মেয়ের একটি মোবাইল, একটি ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী (সঠিক পরিমাণ বলতে পারেননি) খোয়া গেছে। 

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বহুতল ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সোমবার সকালে মা লায়লা আফরোজ ও মেয়ে নাফিসা নাওয়াল বিনতে আজিজের (১৫) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় চার দিন আগে কাজে নেওয়া গৃহকর্মী আয়েশাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে পুলিশ।

পুলিশ ও মর্গ সূত্রে জানা যায়, লায়লার শরীরে প্রায় ৩০টি, আর তার মেয়ের শরীরে ছয়টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। মূলত তাদের গলা ও কাঁধে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, নাফিসা মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। তার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক।

ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, আজিজুল ইসলাম সকাল ৭টার দিকে স্কুলের উদ্দেশে বের হয়ে যান। এরপর ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে ওই বাসায় ঢোকে গৃহকর্মী আয়েশা। সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে সে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আজিজুল ইসলাম বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়ের রক্তাক্ত নিথর দেহ দেখতে পান।

আইএ/সকালবেলা


মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাংবাদিকের মামলায় জুলাই যোদ্ধা সুরভী ২ দিনের রিমান্ডে

1

বেলকুচিতে প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনীর উদ্বোধন, পুরস্কার

2

এবার ভূমিকম্পে কেপে উঠলো ভারত

3

বেগম জিয়া-তারেক রহমানের নিরাপত্তা প্রধান শামছুল ইসলাম

4

বরগুনায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর লুট, এখনও পড়ে আছে ফাঁকা

5

শহীদ মীর মুগ্ধের জমজ ভাই মীর স্নিগ্ধকে বগুড়ার শিবগঞ্জে আবেগ

6

জামায়াতের কক্সবাজার-২ আসনের প্রার্থী আজাদের মনোনয়ন বাতিল

7

৮ খণ্ডে ঐকমত্য কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ

8

গ্রুপিং রাজনীতি: মাগুরা-২ আসনে ধানের শীষের ভরাডুবির শঙ্কা

9

সাকিবের দুর্নীতির মামলায় প্রতিবেদন পেছাল ৪ মাস

10

নরসিংদী থেকে হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার: র‌্যাব

11

বোয়িং থেকেই ১৪টি উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

12

পল্লবীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩টি রিভলভার ও বিপুল কার্তুজ উদ্ধা

13

জাতীয় কবির কবরের পাশে সমাহিত হলেন শহীদ ওসমান হাদি

14

শাহবাগের নাম হবে ‘শহীদ ওসমান হাদি চত্বর’

15

বেলা ১১টায় বসবে হাসিনার মামলার রায়ের ট্রাইব্যুনাল

16

প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম ছাড়ালো ৪৫০০ ডলার

17

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি প

18

দেশ ছাড়তে চাপ দেওয়া হচ্ছে ইমরান খানকে

19

সারাদেশে আজ মোবাইল ফোন বিক্রির দোকান বন্ধ

20
সর্বশেষ সব খবর