Deleted
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা করে বক্তব্য দেওয়া ধৃষ্টতা: চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা করে বক্তব্য দেওয়া ধৃষ্টতা: চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা করে কোনও বক্তব্য দেওয়া ধৃষ্টতা বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলার শুনানির সময় তিনি এসব কথা বলেন।


ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। শুনানিতে জনগণের জানমাল রক্ষায় জুলাইয়ে কারফিউ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় তার কথায় আপত্তি জানায় প্রসিকিউশন।

পরে মামলার বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, আন্দোলনকারীরা ছিলেন নিরস্ত্র মুক্তিকামী। ন্যায্য দাবির জন্য আন্দোলন করেছিলেন তারা। এ ব্যাপারে কোনও প্রশ্ন তোলা যাবে না। কারণ জুলাই চার্টার, জুলাই সনদ ও রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের মাধ্যমে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনটি জাতির মুক্তির সংগ্রাম হিসেবে বিবেচিত। এই সংগ্রামকে সন্ত্রাসবাদী আন্দোলন বলার ধৃষ্টতা যেন কেউ না দেখায়। এটা মাথায় নিয়ে তাদের (আসামিপক্ষ) আরগুমেন্ট করতে হবে।

তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের মুক্তির সংগ্রামকে দমন করতে কারফিউ দেওয়া হয়েছিল। এটি কোনও আইনসম্মত ছিল না। এটি ছিল গণহত্যাকে ফ্যাসিলিটেট করার একটি নির্দেশ বা পরিকল্পনা। কেননা, নিরস্ত্র মানুষকে পাখির মতো মারা হয়েছে। শিশুদের মারা হয়েছে। পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। এসবই প্রমাণ করে কারফিউ কোনও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ছিল না। কারফিউ ছিল গণহত্যা চালানোর জন্য।

তাজুল ইসলাম বলেন, এ মামলায় উল্লেখযোগ্য প্রমাণাদির মধ্যে একটি হলো আসামিদের পরস্পরের মধ্যে টেলিফোনে শলাপরামর্শ করা। আন্দোলন দমনে তারা একে-অপরের সঙ্গে পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করেছেন। সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনাও দিয়েছেন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় টেলিফোনে কথা বলতে বাধ্য হয়েছিলেন তারা। 

এনটিএমসি থেকে তাদের ফোনালাপের রেকর্ড আমরা উদ্ধার করেছি। আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়াই বিরোধী দলকে দমনের উদ্দেশ্যে সারভাইলেন্সের (নজরদারি) কাজ করতো রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠান। অথচ অন্যের জন্য করে রাখা গর্তে নিজেরাই পতিত হয়েছেন। দুই কাঁধে দুই ফেরেশতা যেমন মানুষের আমলনামা লিখে রাখেন, এনটিএমসিও এই অপরাধীদের আমলনামা লিখে রেখেছিল—যা তারা বুঝতেই পারেননি।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন কারফিউ দিয়ে ছাত্র-জনতাকে হত্যার উসকানিসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ১২ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

আইএ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মিকি আর্থারকে আবারো কোচ নিযুক্ত করলো রংপুর রাইডার্স

1

ডনবাসকে নিরস্ত্রীকরণ অঞ্চল গঠনের প্রস্তাব জেলেনস্কির

2

কিশোরগঞ্জের নতুন ডিসি আসলাম মোল্লা

3

প্রাইমারির প্রধান শিক্ষকদের সুখবর দিলেন অধিদপ্তরের মহাপরিচাল

4

ভোলাহাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা: ২৭ জনকে আটক কর

5

কিশোরগঞ্জে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে কৃষকের ফিশারিতে হামলা ও চাঁ

6

আজ বছরের ক্ষুদ্রতম দিন

7

রক্তে প্লাটিলেট কমে গেলে কী খাবেন ?

8

শিক্ষক নিয়োগে আসছে বড় সুখবর

9

কনকনে শীতের রাতে রাস্তা থেকে উদ্ধার দুই শিশুর বাবা আটক

10

চাঁদা দিতে হুমকি, পুলিশের পাহারায় হলো রাস্তার কাজ

11

নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী, আগের মতো পাতানো নির্বাচন হবে

12

‘একাত্তরকে বাদ দিলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না’: বাম নেতাদের সঙ

13

দুই বছর পর নতুন ছবি ও ওয়েব সিরিজে ফিরছেন মিম

14

ইসিতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড লঙ্ঘিত হওয়ার অভিযোগ জানাল জামায়াত

15

গাজায় ইসরাইলের বর্বরতায় জাতিসংঘের উদ্বেগ

16

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির সভা: আনন্দ ভ্রমণ ও ব্

17

ষড়যন্ত্র হলেও নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

18

ভারতীয় বোলারদের তুলোধনা করে মার্করামের সেঞ্চুরি

19

শরীয়তপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে দুর্বৃত্তদের আগুন

20
সর্বশেষ সব খবর