Deleted
প্রকাশ : শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় থেমে নেই ইসরাইলের নৃশংসতা, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে নিহত আরো ১৪

গাজায় থেমে নেই ইসরাইলের নৃশংসতা, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে নিহত আরো ১৪

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চালানো ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচটিই শিশু।

চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসি এলাকায় বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য স্থাপিত তাঁবুতে চালানো ইসরাইলি হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসা সূত্র। এ ছাড়া গাজা সিটির জেইতুন এলাকায় আরেকটি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন আরও চারজন। একই সঙ্গে মধ্য গাজার বুরেইজ ও নুসাইরাত এলাকাতেও বোমা হামলা চালানো হয়েছে।

পৃথকভাবে, উত্তর গাজার জাবালিয়া এলাকায় ইসরাইলি গুলিতে হামসা হুসু নামের ১১ বছর বয়সি এক কন্যাশিশু নিহত হয়েছে। তার চাচা খামিস হুসু জানান, পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে ঘুম ভাঙে তার। 

তিনি বলেন, ‘আমি দেখি হামসা মেঝেতে পড়ে আছে, তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।’

গত বছরের ১০ অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর কররেও তা লঙ্ঘন করে গাজায় হামলায় চালিয়ে আসছে দখলদার ইসরাইল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার এই হামলা চালানো হয়। 

দ্য পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেলন অব প্যালেস্টাইন (পিএফএলপি) বাস্তুচ্যুত মানুষের ওপর বৃহস্পতিবারের এ হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, এসব হামলা গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার ইসরাইলি লক্ষ্যকেই প্রতিফলিত করে।
 
এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘এই দখলদার রাষ্ট্র কোনো যুদ্ধবিরতি মানে না এবং প্রতারণা ও মিথ্যা নিরাপত্তাজনিত অজুহাত ব্যবহার করে হত্যা ও উচ্ছেদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে।’

গাজার ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ১১ অক্টোবরের পর থেকে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৪২৫ জন নিহত এবং ১,২০৬ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় কয়েক লাখ ফিলিস্তিনি পরিবার গাজাজুড়ে অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। জাতিসংঘ ও বিভিন্ন মানবিক সংস্থা সতর্ক করে বললেও ইসরাইল গাজায় পর্যাপ্ত আশ্রয় ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। এর মধ্যে ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ের কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

আইএ/সকালবেলা

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার আর

1

ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ, ৬ যাত্রী নিহত

2

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে নামছে বাংলার মেয়েরা

3

খালেদা জিয়া আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত: ড. কামা

4

গণভোটসহ ৫ দফা দাবিতে জামায়াতসহ ৮ দলের দেশব্যাপী বিক্ষোভ সোমব

5

মিরপুর সনি সিনেমা হলের সামনে বাসে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

6

বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য অপরিবর্তিত থাকলে শিগগিরই দেশে ফিরবেন তা

7

মাহফিলে বয়ানরত অবস্থায় স্ট্রোক করে প্রাণ হারালেন বক্তা

8

২০ ফেব্রুয়ারি শুরু বইমেলা, চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত

9

গ্রেড নিয়ে প্রাথমিকের শিক্ষকদের বড় সুখবর দিলেন উপদেষ্টা

10

‘গণভোটের চার প্রশ্নের একটির সঙ্গে দ্বিমত থাকলে না বলার সুযোগ

11

আইসিসির সঙ্গে বৈঠকের পর সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসছে পিসিবি

12

এভারকেয়ারে এলেন জুবাইদা রহমান

13

দয়া করে আমার নামের আগে মাননীয় সম্বোধন করবেন না, সাংবাদিকদের

14

৫ দিনের রিমান্ডে সাংবাদিক আনিস আলমগীর

15

নোয়াখালীতে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, বিএনপি নেতার ভাইসহ

16

দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন ৭ কলেজ শিক্ষার্থীর

17

বিকেলে সিইসির সঙ্গে বিএনপির বৈঠক

18

জাতি শেখ হাসিনার রায়ের অপেক্ষায়: মির্জা ফখরুল

19

দাওরায়ে হাদিসের সনদ দিয়ে নিকাহ রেজিস্ট্রার, আসিফ নজরুলকে ধন্

20
সর্বশেষ সব খবর